NESCO SSA Viva Question Bank
NESCO SSA Viva Question Bank
১. বেসিক ইলেকট্রিসিটি ও সার্কিট
Q: কারেন্ট, ভোল্টেজ ও রেজিস্ট্যান্স কী? একক কী?
কারেন্ট (I): পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যত কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হয়। একক: অ্যাম্পিয়ার (A)
ভোল্টেজ (V): দুটি বিন্দুর মধ্যে বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য। একক: ভোল্ট (V)
রেজিস্ট্যান্স (R): কারেন্ট প্রবাহে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা। একক: ওহম (Ω)
Q: ওহমের সূত্র ও সীমাবদ্ধতা?
সূত্র: V = IR (ভোল্টেজ = কারেন্ট × রেজিস্ট্যান্স)
সীমাবদ্ধতা:
তাপমাত্রা পরিবর্তনে কাজ করে না
ডায়োড, ট্রানজিস্টর (অরৈখিক উপাদান)-এ প্রযোজ্য নয়
গ্যাস ও ইলেকট্রোলাইটে প্রযোজ্য নয়।
Q: ফ্রিকোয়েন্সি কী? বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড ফ্রিকোয়েন্সি?
AC কারেন্ট প্রতি সেকেন্ডে যতবার দিক পরিবর্তন করে তাকে ফ্রিকোয়েন্সি বলে। একক: হার্টজ (Hz)।
বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড ফ্রিকোয়েন্সি = ৫০ Hz
Q: কন্ডাক্টর, ইনসুলেটর ও সেমিকন্ডাক্টর?
কন্ডাক্টর: বিদ্যুৎ সহজে চলাচল করতে দেয়। যেমন: কপার, অ্যালুমিনিয়াম
ইনসুলেটর: বিদ্যুৎ চলাচলে বাধা দেয়। যেমন: রাবার, প্লাস্টিক, পোরসেলিন
সেমিকন্ডাক্টর: পরিস্থিতি অনুযায়ী কন্ডাক্টর বা ইনসুলেটর হিসেবে কাজ করে। যেমন: সিলিকন, জার্মেনিয়াম
Q: KVL ও KCL?
KVL (Kirchhoff's Voltage Law): যেকোনো বদ্ধ লুপে মোট ভোল্টেজের সমষ্টি শূন্য।
KCL (Kirchhoff's Current Law): যেকোনো জংশনে আসা কারেন্টের যোগফল = যাওয়া কারেন্টের যোগফল।
২. এসি সিস্টেম ও পাওয়ার ফ্যাক্টর
Q: পাওয়ার ফ্যাক্টর (PF) কী? কেন কমে?
PF = Real Power (kW) / Apparent Power (kVA) = cos φ
আদর্শ মান = ১ (বা Unity)। ইন্ডাক্টিভ লোড (মোটর, ট্রান্সফরমার) বেশি থাকলে PF কমে যায়।
Q: PF কম হলে কী ক্ষতি?
লাইনে অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহ → তার গরম হয়
সিস্টেম লস বাড়ে
ভোল্টেজ ড্রপ বাড়ে
বিদ্যুৎ বিল বাড়ে (শিল্পকারখানায়)
ট্রান্সফর্মার ও জেনারেটরের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে
Q: PFI প্ল্যান্টের কাজ ও অবস্থান?
ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার করে রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার সরবরাহ করে PF উন্নত করে। সাবস্টেশনে বাসবারের পাশে বা ফিডারের কাছে লাগানো হয়।
Q: PF এর আদর্শ মান?
০.৯৫ থেকে ১.০ এর মধ্যে। বাংলাদেশে শিল্পকারখানায় ন্যূনতম ০.৮৫ বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।
Q: kW, kVAR ও kVA এর সম্পর্ক?
kW (Real Power): প্রকৃত কাজ করে
kVAR (Reactive Power): ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরিতে ব্যবহৃত
kVA (Apparent Power): kVA² = kW² + kVAR²
PF = kW / kVA
Q: Star ও Delta সংযোগে ভোল্টেজ সম্পর্ক?
Star (Y): Line Voltage = √3 × Phase Voltage → VL = 1.732 × Vph
Delta (Δ): Line Voltage = Phase Voltage → VL = Vph
৩. ট্রান্সফরমার
Q: ট্রান্সফরমার কোন নীতিতে কাজ করে?
ফ্যারাডের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইনডাকশন ও মিউচুয়াল ইনডাকশন নীতিতে। প্রাইমারি কয়েলে AC দিলে চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়, সেটি সেকেন্ডারি কয়েলে ভোল্টেজ প্রেরণ করে।
Q: ট্রান্সফরমার DC-তে কাজ করে না কেন?
DC স্থির বিদ্যুৎ — এতে কোনো পরিবর্তনশীল চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হয় না। ইনডাকশনের জন্য পরিবর্তনশীল ফ্লাক্স দরকার, তাই DC-তে কাজ করে না।
Q: স্টেপ-আপ ও স্টেপ-ডাউন?
স্টেপ-আপ: ভোল্টেজ বাড়ায়, কারেন্ট কমায় (Power Plant থেকে Transmission এ)
স্টেপ-ডাউন: ভোল্টেজ কমায়, কারেন্ট বাড়ায় (Distribution Substation এ)
Q: ট্রান্সফরমার তেলের কাজ ও নাম?
ইনসুলেশন: উইন্ডিংয়ের মধ্যে অন্তরক হিসেবে কাজ করে
কুলিং: তাপ শুষে বাইরে ছড়ায়
তেলের নাম: মিনারেল অয়েল / ন্যাপথেনিক অয়েল (Pyranol)। ডাই-ইলেকট্রিক স্ট্রেংথ ≥ ৩০ kV/mm
Q: সিলিকা জেলের কাজ ও রঙ পরিবর্তন?
ব্রিদারে থেকে ট্রান্সফরমারে প্রবেশকারী বাতাসের আর্দ্রতা (Moisture) শুষে নেয়।
ভালো অবস্থায়: নীল রঙ
আর্দ্রতা শুষলে: গোলাপি/লাল রঙ → তখন পরিবর্তন করতে হবে
Q: বুকহোলজ রিলে কেন ব্যবহার করা হয়?
ট্রান্সফরমারের ইন্টারনাল ফল্ট (শর্ট সার্কিট, আর্কিং) হলে তেলে গ্যাস তৈরি হয়। বুকহোলজ রিলে সেই গ্যাস শনাক্ত করে অ্যালার্ম দেয় বা সার্কিট ট্রিপ করে। এটি মেইন ট্যাংক ও কনজারভেটর ট্যাংকের মাঝের পাইপে থাকে।
Q: কনজারভেটর ট্যাংক ও ব্রিদারের কাজ?
কনজারভেটর ট্যাংক: তেল গরম হয়ে প্রসারিত হলে বাড়তি তেল ধরে রাখে
ব্রিদার: বাতাস ঢোকা-বের হওয়ার সময় সিলিকা জেল দিয়ে আর্দ্রতা শুষে নেয়
Q: ট্রান্সফরমারের লস?
Iron Loss / Core Loss (ধ্রুবক): লোড নির্বিশেষে সবসময় হয়
Hysteresis Loss
Eddy Current Loss
Copper Loss (পরিবর্তনশীল): I²R — লোড বাড়লে বাড়ে
সর্বোচ্চ দক্ষতা: যখন Iron Loss = Copper Loss
Q: ট্যাপ চেঞ্জারের কাজ?
ট্রান্সফরমারের হাই ভোল্টেজ সাইডের প্যাঁচ সংখ্যা পরিবর্তন করে আউটপুট ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে।
NLTC: লোড বন্ধ করে পরিবর্তন করতে হয়
OLTC: লোড চলু রেখেই পরিবর্তন করা যায় (সাবস্টেশনে ব্যবহৃত)
৪. সাবস্টেশন ইকুইপমেন্ট ও অপারেশন
Q: ১১/০.৪ kV সাবস্টেশনের প্রধান সরঞ্জাম?
১. পাওয়ার ট্রান্সফরমার
২. Lightning Arrester (LA)
৩. Isolator / Disconnector
৪. Circuit Breaker (VCB/SF6)
৫. Current Transformer (CT)
৬. Potential Transformer (PT)
৭. Busbar
৮. Protection Relay Panel
৯. LT Panel / Distribution Board
১০. Battery Bank (DC System)
১১. Earthing System
Q: CT ও PT কেন ব্যবহার করা হয়?
CT: উচ্চ কারেন্ট (যেমন ৫০০A) কমিয়ে ৫A করে → অ্যামিটার ও রিলেতে ব্যবহারের উপযোগী
PT: উচ্চ ভোল্টেজ (যেমন ১১kV) কমিয়ে ১১০V করে → ভোল্টমিটার ও রিলেতে ব্যবহারের উপযোগী
Q: CT সেকেন্ডারি খোলা রাখা যাবে না কেন?
CT এর প্রাইমারিতে সবসময় লাইন কারেন্ট প্রবাহিত হয়। সেকেন্ডারি খোলা থাকলে কোনো লোড নেই — ফলে অত্যন্ত উচ্চ ভোল্টেজ তৈরি হয় যা ইনসুলেশন পুড়িয়ে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। তাই মিটার বা রিলে খুলতে হলে আগে CT সেকেন্ডারি শর্ট করে দিতে হবে।
Q: আইসোলেটর অফ করার আগে ব্রেকার অফ করতে হয় কেন?
আইসোলেটর লোড থাকা অবস্থায় খুললে বড় আর্ক তৈরি হয় যা আইসোলেটরের কন্টাক্ট নষ্ট করে এবং বিপজ্জনক। তাই আগে সার্কিট ব্রেকারে কারেন্ট বন্ধ করে তারপর আইসোলেটর খুলতে হয়।
Q: Lightning Arrester (LA) এর কাজ ও অবস্থান?
বজ্রপাত বা সার্জ ভোল্টেজ এলে তাৎক্ষণিকভাবে রোধ কমিয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাটিতে পাঠিয়ে ট্রান্সফরমার ও সরঞ্জাম রক্ষা করে। ইনকামিং লাইনের শুরুতে এবং ট্রান্সফরমারের ঠিক আগে প্যারালালে বসানো হয়।
Q: বাসবার কী? কী দিয়ে তৈরি?
সাবস্টেশনে একাধিক ইনকামিং ও আউটগোয়িং লাইনের কমন সংযোগ বিন্দু। সাধারণত কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের মোটা পাত বা পাইপ দিয়ে তৈরি। ইনসুলেটরের উপর বসানো থাকে।
Q: ব্যাটারি রুমের কাজ ও DC সাপ্লাই কেন দরকার?
সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ কয়েল, প্রোটেকশন রিলে, কন্ট্রোল প্যানেল — এগুলো DC কারেন্টে চলে। মেইন পাওয়ার না থাকলেও যেন প্রোটেকশন সিস্টেম কাজ করে, সেজন্য ২৪V বা ১১০V DC ব্যাটারি ব্যাংক ব্যাকআপ হিসেবে থাকে।
Q: আইসোলেটর ও সার্কিট ব্রেকারের পার্থক্য?
সার্কিট ব্রেকার হলো একটি প্রোটেক্টিভ ডিভাইস যা লোড বা ফল্ট অবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিটকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে এবং এতে আর্ক নেভানোর ব্যবস্থা থাকে; অন্যদিকে আইসোলেটর হলো একটি মেকানিক্যাল সুইচ যা শুধুমাত্র নো-লোড অবস্থায় লাইনকে দৃশ্যমানভাবে বিচ্ছিন্ন করার জন্য ম্যানুয়ালি ব্যবহার করা হয়।
৫. প্রোটেকশন ও সুইচগিয়ার
Q: সার্কিট ব্রেকার (CB) কী?
এটি একটি স্বয়ংক্রিয় সুইচিং ডিভাইস যা স্বাভাবিক অবস্থায় সার্কিট চালু/বন্ধ করে এবং ফল্টের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিট বিচ্ছিন্ন করে সরঞ্জাম রক্ষা করে।
Q: রিলে কী? কীভাবে CB কে সিগন্যাল দেয়?
রিলে হলো সেন্সিং ডিভাইস — CT/PT থেকে পাওয়া কারেন্ট/ভোল্টেজ বিশ্লেষণ করে। অস্বাভাবিক মান পেলে সার্কিট ব্রেকারের ট্রিপ কয়েলে DC সিগন্যাল পাঠায় → CB স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায়।
Q: ফিউজ ও সার্কিট ব্রেকারের পার্থক্য?
ফিউজ হলো একটি ওয়ান-টাইম প্রোটেকটিভ ডিভাইস যা অতিরিক্ত কারেন্টে নিজে গলে গিয়ে সার্কিট বিচ্ছিন্ন করে এবং একবার ব্যবহারের পর এটি পরিবর্তন করতে হয়; অন্যদিকে সার্কিট ব্রেকার একটি অটোমেটিক সুইচ যা ফল্ট হলে ট্রিপ করে এবং কোনো কিছু পরিবর্তন না করেই একে পুনরায় রিসেট করে ব্যবহার করা যায়।
Q: আর্থিং কেন করা হয়? আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত?
লিকেজ কারেন্ট বা ফল্ট কারেন্টকে নিরাপদে মাটিতে পাঠাতে এবং মানুষের জীবন রক্ষায় আর্থিং করা হয়। সাবস্টেশনের আর্থিং রেজিস্ট্যান্স ≤ ১ ওহম হওয়া উচিত।
Q: আর্ক কী? কীভাবে নেভানো হয়?
সার্কিট ব্রেকারের কন্টাক্ট খোলার সময় কন্টাক্টের মধ্যে আয়নিত গ্যাসের মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহ অব্যাহত থাকে — এটিই আর্ক।
নেভানোর পদ্ধতি:
VCB: ভ্যাকুয়ামে আর্ক টিকতে পারে না
SF6: SF6 গ্যাস আর্ক শুষে নেয়
ACB: বায়ু প্রবাহ দিয়ে নেভানো হয়
Q: Drop Out Fuse (DO Fuse) কোথায় ব্যবহৃত হয়?
১১kV ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে পোলের উপরে ট্রান্সফরমারের আগে বসানো হয়। ফল্টে ফিউজ গলে টিউব নিচে পড়ে যায় — দূর থেকেই বোঝা যায় ফিউজ উড়ে গেছে।
৬. ডিস্ট্রিবিউশন ও ফিডার
Q: ফিডার (Feeder) কী?
সাবস্টেশন বা বাসবার থেকে বিদ্যুৎ বিভিন্ন এলাকায় বিতরণের জন্য যে পৃথক লাইন বা সার্কিট ব্যবহার করা হয় তাকে ফিডার বলে।
Q: সার্ভিস মেইন / সার্ভিস ড্রপ কী?
ডিস্ট্রিবিউশন লাইন থেকে গ্রাহকের মিটার পর্যন্ত সংযোগ তারকে সার্ভিস ড্রপ বলে।
Q: বাংলাদেশে ডিস্ট্রিবিউশন ভোল্টেজ লেভেল?
জেনারেশন: ১১ kV
ট্রান্সমিশন: ১৩২ / ২৩০ / ৪০০ kV
প্রাইমারি ডিস্ট্রিবিউশন: ৩৩ kV
সেকেন্ডারি ডিস্ট্রিবিউশন: ১১ kV
সার্ভিস ভোল্টেজ: ০.৪ kV (400V) → বাসায় ২৩০V (Single Phase)
Q: পাওয়ার ট্রান্সফরমার ও ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারের পার্থক্য?
পাওয়ার ট্রান্সফরমার মূলত উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন বা গ্রিড সাবস্টেশনে ব্যবহৃত হয় যা সবসময় ফুল লোডে চলে, অন্যদিকে ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ বিতরণের জন্য ব্যবহৃত হয় যা দিনের বিভিন্ন সময়ে লোডের তারতম্য অনুযায়ী কাজ করে এবং এতে অল-ডে এফিসিয়েন্সি (All-day efficiency) বেশি গুরুত্ব পায়।
Q: সিস্টেম লস কী? অ্যাটেনডেন্টের ভূমিকা?
সিস্টেম লস = উৎপাদিত বিদ্যুৎ − বিক্রীত বিদ্যুৎ (%)। এতে টেকনিক্যাল লস ও নন-টেকনিক্যাল লস (চুরি) উভয়ই আছে।
অ্যাটেনডেন্টের ভূমিকা:
মিটার সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা দেখা
অবৈধ সংযোগ শনাক্ত করা
ট্রান্সফরমার ওভারলোড এড়ানো
PF উন্নত রাখা
৭. টুলস, মেজারমেন্ট ও সেফটি
Q: মেগার দিয়ে কী মাপা হয়?
ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স (MΩ) পরিমাপ করা হয়। তার, মোটর, ট্রান্সফরমারের ইনসুলেশন ভালো আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
Q: ক্ল্যাম্প-অন মিটার (Tong Tester) দিয়ে কী মাপা হয়?
তার না কেটে, তারের চারপাশে ক্ল্যাম্প লাগিয়ে AC কারেন্ট মাপা হয়। লাইভ তারে নিরাপদে কারেন্ট পরীক্ষার জন্য আদর্শ।
Q: মাল্টিমিটার দিয়ে কী চেক করা যায়?
AC/DC ভোল্টেজ
AC/DC কারেন্ট
রেজিস্ট্যান্স (Ω)
ডায়োড ও ক্যাপাসিটর পরীক্ষা
কন্টিনিউটি চেক (বাজার মতো শব্দ)
Q: PPE (নিরাপত্তা সরঞ্জাম)?
রাবারের গ্লাভস
ইনসুলেটেড বুট/জুতা
হেলমেট
সেফটি গ্লাস
ইনসুলেটেড টুলস
হাই-ভিজিবিলিটি জ্যাকেট
Q: কাজ শুরুর আগে লাইন গ্রাউন্ড করা কেন জরুরি?
সার্কিট ব্রেকার ও আইসোলেটর খোলার পরেও তারে স্ট্যাটিক চার্জ বা ইন্টারকানেকশন ভোল্টেজ থাকতে পারে। গ্রাউন্ড না করলে কর্মীর মৃত্যু হতে পারে।
Q: পারমিট টু ওয়ার্ক (PTW) কী?
যেকোনো লাইভ বা হাই-ভোল্টেজ সিস্টেমে কাজ শুরু করার আগে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নেওয়া লিখিত অনুমতিপত্র। এতে কোন সার্কিট বন্ধ আছে, কে কাজ করবে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কী — সব লেখা থাকে।
Q: ইলেকট্রিক ফায়ারে কোন অগ্নিনির্বাপক ব্যবহার করবেন?
CO2 (Carbon Dioxide) বা Dry Powder অগ্নিনির্বাপক ব্যবহার করতে হবে।
⚠️ পানি বা ফোম ব্যবহার করা মারাত্মক বিপজ্জনক — কারণ পানি বিদ্যুৎ পরিবাহী।
৮. NESCO ও সাধারণ জ্ঞান
Q: NESCO এর পূর্ণরূপ ও হেডকোয়ার্টার?
Northern Electricity Supply Company of Bangladesh Limited
হেডকোয়ার্টার: রাজশাহী। উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ করে।
Q: স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের সুবিধা?
বিল পরিশোধে স্বচ্ছতা
মিটার রিডারের প্রয়োজন নেই
সিস্টেম লস কমে
অবৈধ সংযোগ শনাক্ত সহজ
রিমোটলি লোড ডিসকানেক্ট সম্ভব
গ্রাহক নিজেই খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন
Q: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা?
বর্তমানে (২০২৬) বাংলাদেশের মোট ইনস্টলড বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৮,০০০ মেগাওয়াট (MW) এর বেশি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন (২,৪০০ MW)।


No comments